দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্বাসনালী খ্যাত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ইরান। তবে কেবল এই চুক্তিই জলপথটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করার জন্য যথেষ্ট নয় বলে শনিবার জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করে বলেছে, প্রণালিতে ইরানের সামরিক বাহিনী আবুধাবির আরও একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
প্রণালির দুই পাশে অবস্থিত ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে বলে শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে স্বাভাবিক তেল পরিবহন আবার শুরু করা সম্ভব হতে পারে বলে প্রত্যাশা করেছেন তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত অবসানের অংশ হিসেবে কৌশলগত এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার চুক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নতুন একটি নৌপথ চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমান একদম কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে এই প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করছে; যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইরানের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রণালি দিয়ে চলাচলের আগের রুট তেহরানের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। স্থায়ী রুটের কারিগরি ও আইনি বিষয় সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওমানের সঙ্গে একটি সাময়িক নৌপথ নিয়ে আলোচনা করছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলো ও জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং এই সংকীর্ণ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজে হামলা শুরু করে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের পাঁচভাগের একভাগই এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো।
শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় তাদের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত একটি ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো আমিরাতের গণমাধ্যমের এই খবর প্রচার করলেও সেখানে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করার অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।
কে